গরম নিয়ে ২০+ সেরা ছন্দ ও কবিতা

এই গরমে রোদ যেন রাগ করে নামছে আকাশ থেকে। ছায়া পেলেই মনে হয়, স্বর্গ নেমে এসেছে। ঘর থেকে বের হলেই শরীর জ্বলছে আর মাথা গরম! পাখার বাতাসে আর তৃপ্তি মেলে না, ফ্রিজের পানি আর আইসক্রিমই এখন একমাত্র শান্তি। তবুও জীবন থেমে থাকে না, গরম যতই হোক, চলতে হবে…হাতের রুমাল দিয়ে ঘাম মুছে, মনের ভেতর ঠান্ডা রাখাটাই আসল আর্ট!

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, এই গরমে আপনারা যারা গরম নিয়ে কিছু ছন্দ ও কবিতা অনুসন্ধান করে চলেছেন, আমাদের আজকের আর্টিকেলে তাদের স্বাগতম। এই আর্টিকালি আমরা তুলে ধরেছি গরম নিয়ে সেরা সন্দেহ কবিতা। আপনারা এগুলো সংগ্রহ করুন এবং শেয়ার করুন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা বন্ধুদের সাথে।

গরম নিয়ে ছন্দ

1.

সূর্য যেন আগুন জ্বালে,
চারদিক শুধু জ্বলছে কালে।
ঘাম ঝরে মুখের রেখায়,
গরমে যেন বাঁচি এক আয়!

2.

দুপুর বেলায় রোদের দাপট,
চামড়া পুড়ে, মাথায় জট!
চুপটি করে কুলারে বসি,
জীবন নিয়ে করি হাসাহাসি!

3.

গরমে রাগ হয় একটু বেশি,
শান্ত থাকো, কানে দাও দেশি।
বাতাস নাই, মেজাজ চড়া,
এই সময় প্রেমও পড়ে খাড়া!

4.

ফ্যান চলে, চলে না বাতাস,
বিছানাতেও নাই আর আশ্বাস।
চুপ করে চোখ বন্ধ করে বলি,
“এই গরমটা আর কতদিন চলি?”

5.

সূর্য যেন পাগল হয়ে গেছে,
প্রতিদিন আগুন ছুঁড়ে বাঁচে!
আকাশটাও যেন করে শত্রুতা,
এই গরমে চাই এক ফোঁটা বরষা।

6.

গরমে যখন মাথা গরম,
তখন শান্তি এক গ্লাস লেমন!
জীবন যেমন, গরম তেমন,
ঠান্ডা থাকো—এটাই সবার ব্রত!

7.

ঘাম ঝরে, তবুও থেমে না,
রোদের চাপে জীবনও ভামে না।
এই গরমে শিখি এক শিক্ষা,
পরিশ্রমেই আসে সুখের দীক্ষা।

8.

বাইরে আগুন, ভিতরেও রাগ,
এই গরমে কেউ দেয় না স্নেহের ভাগ।
এক গ্লাস ঠান্ডা পানি হলে,
মনটা একটু হলেও শান্তে চলে।

9.

রোদের আলোয় পোড়ে শহর,
তবুও কাজ করি মন ভর।
গরম আসে, আবার যাবে,
ধৈর্য ধরে সময় কাটাতে হবে।

10.

এই গরমে রোমান্সও গলে যায়,
হাত ধরতেও ভয়ে শরীর কাঁপায়!
তবুও পাশে থাকো তুমি যদি,
এই গরমও প্রেমের গান গায়।

11.

গরমে ত্বকও বলে “ব্যাস”!
শরীর জ্বলে, চোখে ঘাস।
তবুও হাসি মুখে চলতে হয়,
কারণ এই গরমেও লুকায় জয়।

12.

লোডশেডিং সাথে গরম,
এই জীবন যেন কারাগার সম।
ভরসা শুধু ফ্রিজের ঠান্ডায়,
বাকি সব তাপের সন্দেহতায়।

13.

গরম বলে আরাম নাই,
জীবন থেমে থাকেনা ভাই!
ঘামে ভিজি, পথ চলি,
তবুও আশা ছাড়ি না কখনোই।

14.

রোদ ওঠে, রাগে ফুসে,
মানুষ হাঁটে মাথা চুষে।
এই গরমে ঠান্ডা থাকাটাই,
সত্যিকারের বুদ্ধির ছায়া পাই।

15.

গরম মানেই শক্তির পরীক্ষা,
কে ঠান্ডা, কে করে ঝামেলা সৃষ্টি।
চুপচাপ থাকো, হাল না ছাড়ো,
এই গরমেও জীবনের গান গাও।

16.

বৃষ্টির জন্য চেয়ে থাকি,
রোদ যেন দিচ্ছে ধাক্কা থাকি!
এই গরমে শান্তি শুধু –
একটু ছায়া আর ঠান্ডা জুস!

17.

ঘামে ভেজা শার্টে যদি,
সফলতা মিশে যায় কিছুদি।
তবে গরম হোক যত ভয়ানক,
আমরা লড়বো, থাকবো অটুট।

18.

গরমে গলে যায় বরফের মন,
তবুও থেমে না সময়ের রথচক্রণ।
তাপ দিয়ে যদি গড়া যায় সোনা,
তবে কষ্টেও গড়ে উঠি আমরা।

19.

রোদের নিচে হাঁটা শেখো,
তবেই জীবনে জয় দেখতে পাবে।
গরমে যারা ঘাম ঝরায়,
তারাই একদিন ইতিহাস গড়ায়।

20.

গরম যতই পুড়াক গা,
মনটাকে রাখো শান্ত আর ছায়া।
চলতে থাকো, থেমো না ভাই,
গরমের পরই বর্ষা তো আসবেই!

গরম নিয়ে কবিতা

খরার তাপদাহ

খাদিজাতুত তাহিরা

প্রকৃতি আজ নিরব হয়ে
বয়ছে খরার তাপ,
এই দুনিয়া ভরে গেছে
নানান রঙের পাপ।

খরার তাপে মাঠি ফাটে
তবু হয় না বৃষ্টি,
কৃষক মোনাজাত করে
কেঁদে ভাসায় দৃষ্টি।

খরার তাপে সৃষ্টি কূলে
অসহনীয় হয়ে নাচে,
আল্লাহ তুমি রহম করলে
খরার থেকে বাঁচে।

ফসলাদি নষ্ট হচ্ছে
খরার মুখে পড়ে,
আল্লাহ তোমার রহম ছাড়া
সৃষ্টিকূল যেন মরে।

পিঠফাটা রোদ

খাদিজা ইয়াসমিন আঁখি

বৈশাখের পিঠ ফাটা রোদে
তৃষ্ণার্ত কাক টাও একটু পানি খোঁজে,
খাল-বিল, নদী সব গেছে শুকিয়ে
চারদিকে শুধু হাহাকার শুরু হয়েছে।
ফসলের মাঠে খরা ধরেছে
কৃষকের কপালে দুঃখ জমেছে,
ফসল বাঁচানোর কত চেষ্টা
চালিয়ে যাচ্ছে কৃষকেরা।
মাঠ-ঘাট শুকিয়ে হয়েছে খা- খা
বৃষ্টির জন্য চলছে কত দোয়া,
রাস্তার ধারে নেই কোনো গাছপালা
কি করে পাবে মানুষেরা একটু ছায়া।
প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হচ্ছে সবাই
ভীর জমেছে ডাক্টারের চেম্বারে তাই,
থাকতো যদি গাছপালা অনেক বেশি
গরম করলেও মানুষ পেতো একটু স্বস্তি ।
গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই,
গাছ লাগাই পরিবেশ বাচাই।

গরমে পুড়ছে ধরা

বাসুদেব সরকার

সূর্যের তাপে পুড়ছে মানুষ
পুড়ে যাচ্ছে ধরা,
খালবিল সব আজ শুকিয়ে যে
চলছে দেশে খরা।

মাঠের ফসল জ্বলে পুড়ে
হয়ে যাচ্ছে ছাই,
তপ্ত গরম বিপদ চরম
বাঁচার উপায় নাই।

প্রাণীকূল আজ হুমকি মুখে
গরমে নেই জল,
বন উজার আর বৃক্ষ নিধন
পাচ্ছে তারই ফল।

হিটস্ট্রোক হয়ে মরছে মানুষ
বাড়ছে সূর্যের তাপ,
নিজের হাতে কামাই করা
মানুষজনের পাপ।

চরম গরমে

এম শামছুল ইসলাম সুহেব

গরম এখন চরম আকারে
রুপ নিয়েছে ভাই,
হরেক রকম রোগ-বালাইয়ে
ঘিরে ধরছে তাই!

বয়স্ক আর অসুস্থ, শিশুর
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি,
রোগাক্রান্ত হচ্ছে তারা
এখন নানানমুখী!

আরো পড়ুনঃ  তুমি আমি কলমে আসিফ মাহামুদ

সর্দি, জ্বর, কাশি আর
জন্ডিস, নিউমোনিয়া,
শ্বাসকস্ট বাড়ছে প্রবল
চর্মরোগ, ডায়রিয়া!

বাইরে বের হলে সাথে
রেখো ক্যাপ, ছাতা,
সূর্যের কিরণ থেকে সতত
ছায়ায় রাখো মাথা!

বেশি করে পানি, শরবত
সবাই করো পান,
রোদ এড়িয়ে চলে খোঁজো
ছায়াযুক্ত স্থান!

নিয়ম মেনে গোসল আর
বিশ্রাম সবে নাও,
অসুস্থ হলে দ্রুত গতিতে
ডাক্তারের কাছে যাও!

অনল প্রবাহ

মোঃ আক্তারুজ্জামান আক্তার

অনল প্রবাহে পুড়ছে ভুবন
হাফিয়ে উঠেছে মানব জীবন,
মাঠঘাট ফেটে আজ চৌচির
শুকিয়ে গেছে ঐ নদীর তীর।

পুকুরের মাছগুলো খাবি খাচ্ছে
রাস্তার পিচগুলো গলে যাচ্ছে,
গাছ গুলো আজ ঘুমিয়ে গেছে
বিদ্যুৎ টাও সাথে দল বেধেছে।

ফসলের খেত পুড়ে ছারখার
পথের ধূলোয় মানুষ মরবার,
কুকুর ছানাগুলো শুঁকছে ধূলা
তপ্ত শরীর আজ যায় না চলা।

গরম

রোকসানা আক্তার

গরম, গরম, গরম, তুমি
ছিনিয়ে নাও মানুষের লাজ শরম৷
মাথায় রাখতে পারিনা কাপড়,
গরম তুমি কর একটু সবুর৷
বৈশাখের ধান কেটে আনে কৃষক,
গৃহ বধূর কাছে দোকানের
ঠান্ডা চেয়ে বসে বাড়িতে৷
শ্বশুর, শ্বাশুরির, সেবা,
বাচ্চাদের কান্নাকাটি শব্দ,
আমি গরমে হয়ে যাই সতন্ধ৷
নিজের হয় মাথাব্যথা
প্রয়োজন ছাড়া শুনতে
ইচ্ছে করে না কোন কথা৷
গরম চুলায় বসাই রান্না,
গরমকে কিছু বলতে পারি না৷
বার বার মনে আসে কান্না৷
গরম তুমি ভালো থেকো,
সুখে থেকো আনন্দে থেকে,
এই মোর কামনা, ধন্যবাদ।

গরম লাগে

নূর মোহাম্মদ

কইবো কি কইতে লাগে সরম
এতো রোদ আর ঘামে ভিজে,
নাই তো কোন শান্তি
গরম আর গরম।

না আসে ঘুম না আছে শান্তি
এ গরমে কেমনে থাকি।
গরমের জ্বালায় অতিষ্ঠ আমি,
সরমে আমি কইতে না পারি।

বাতাসে লড়ে চড়ে গাছের পাতা,
লাগেনা বাতাস গায়ে,
যতই লড়ে চড়ে গাছের পাতা।
গরম আর ভালো লাগে না।

গরমের আদ্রতা

শাকিল হাছান

গরম আমাদের জন্য স্বাভাবিক
এসি ছাড়া চলে না তাদের মাথা নাই ঠিক,
গরম আমাদের জন্য স্বাভাবিক
দালানকোঠায় থাকে মানুষ শোষন গলাবাজি করে তাদের মাথা নাই ঠিক।

আরো পড়ুনঃ  স্বাগত নববর্ষ তোমায়

গরম আমাদের জন্য স্বাভাবিক
শিক্ষত হয়েও মুর্খ সাথে তালে তাল মিলিয়ে
চলে তারা নাই ঠিক,
গরম আমাদের জন্য স্বাভাবিক
হিংস্র মানুষ নামে অমানুষ মাতালরা নাই ঠিক।

গরম আমাদের কাছে স্বাভাবিক
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আগলা প্রীত দেখায় তাদের কাছে অস্বাভাবিক।

গরম

ইসরাত জাহান নাদিয়া

গ্রীষ্মকালে কি অসহ্য গরম,
মাথার বেগ রাগে হয় কি চরম।
গরমে ঢাকা নগরীকে দিয়ে আড়ি,
চলে যাবো আমি স্বপ্নের বাড়ি।

গরমের যন্ত্রণা

মুহিতুল ইসলাম মুন্না

গরমে বিনাশ শরীর
যাতনা রাত্রির পাড়
প্রত্যহ ঘুম কাড়েছে
নিয়েছে মৃত্যুর দ্বার।

একাত ওকাত হয়ে যাই
খাটে আবার ফ্লোরে
গরমের যন্ত্রণাতে
যায়নি একটু দূরে।

নির্ঘুমে হয় সকালবেলা
বিদ্যুৎ করে জালা,
দাবদাহে চামড়া পুড়ে
হয়ে যাচ্ছে কালা।

গরম যেনো অনুন ভাই
টগবগিয়ে উঠছে
মস্ত বড়ো জংশনেতে
মানুষ যেনো মরছে।

গরমে ভাল্লাগে না

হুসাইন আহমাদ

এই গরমে ভাল্লাগেনা,
কোনো কাজে মন বসেনা,
সুইলে ঘুম আসেনা,
গেলে কারেণ আর আসেনা;
কি যে করি এই ভাবনা,
ভাবিতে আর পারিনা।

কবিতার সুর মিলেনা,
তবুও ছন্দ কোনা,
কবি তো এই আমি না,
কবিতার ভাব বুঝিনা,
গরমে আর পারিনা।

তাপদাহের ঝুঁকি

মোহাম্মদ আবুল কাসেম

বোশেখ এলো বাংলাদেশে
তাপদাহ নিয়ে,
রক্ষা করো ওগো মাবুদ
বৃষ্টিপাত যে দিয়ে।

আমরা তোমার অবুঝ বান্দা
পাপ করেছি জানা,
এই দুনিয়ার মোহে পড়ে
হয়ে গেছি কানা।

রোদের তাপেই এই অবস্থা
জাহান্নাম যে কেমন!
কী পরিণাম হবে সেদিন
জানতাম যদি তেমন!

তুমি ছাড়া উপায় যে নাই
দো-জাহানের তরে,
গরম থেকে উদ্ধার করো
স্বস্তি দাও গো ভরে।

মাঠের ফসল পুড়ছে তাপে
জীব যে দিশাহারা,
এমন যদি চলতে থাকে
যাবো আমরা মারা।

দানবরূপী ঝড়

 মোঃ হাবিবুর রহমান

আসলো ঘরে নতুর বছর
মেঘের দেখা নাই,
রবির কিরণ জ্বলছে দ্বিগুণ
ঠান্ডা কোথায় পাই।

দানবরূপী কালবৈশাখী
এবার আসছো না,
মরুর বুকে সাগর বানাও
আমরা পরের ছা।

এলে তুফান ভাঙো গাছ ঘর
বৃষ্টি সাথে লও,
মুষলধারায় জগৎ ভাসাও
চাষীর কথা কও।

উষ্ণ বায়ে মরছি সকল
বাইরে যাওয়া দায়,
কালবৈশাখী আসো জলদি
আমার শহর গাঁয়।

আরো পড়ুনঃ  বিজয়ের গান | উম্মি হুরায়েরা বিলু

মেঘের নায়ে আসুক তুফান
ভাঙ্গুক দু’খান চাল,
সোহাগ মেখে সূয্যি মামা
উঠবে পূবে কাল।

উত্তপ্ত বৈশাখ

মোঃ শরীফ উদ্দিন

বাজায়া শাখ্ এলি বৈশাখ
বানবৃষ্টি তাপ নিয়ে,
ইচ্ছে করে ডুবে থাকতে
নদীর জলে গিয়ে।

উল্কা হাওয়ার ভয়ে সেই তো
যাই না নদীর ঘাটে,
আরাম তরে পরলে বিদায়
ঘূর্ণিপাকের বাটে।

করি কী হায় ও বৈশাখী
সয় কেমনে গরম,
বৈশাখী রে ও বৈশাখী
বলতে লাগে শরম।

মাটির নিচে কেন্ জ্বালাইলি
কোন্ বিরহে আগুন,
হঠাৎ আবার ঝড়ো হাওয়া
একি’রে তোর ফাগুন।

কী রূপ নিয়ে এলে তটে
ওরে ও বৈশাখী,
অতিষ্ট আজ অরূপ রূপে
দ্যাখনা খুলে আঁখি।

গরম

রাহাত হাসান

হাতপাখাটা দাও না বুবু
গায়ে লাগাই বাতাস,
কি গরম পড়েছে দেখো
হয়ে গেছি হতাশ।

দেখো চেয়ে আমার দিকে
ঘাম ঝরছে গায়,
টপ টপাটপ মাথার ঘাম
পরছে আমার পায়।

যখন তখন কারেন্ট মামা
হয়ে যায় নিখোঁজ,
গরমে সবার পিত্তি জ্বলে
কে রাখে কার খোঁজ।

এ-ই গরমের তীব্রতায়
গা যে আমার জ্বলে,
মন ছুটে যায় বারেবারে
গা ভেজাতে জলে।

প্রচন্ড এই দাবদাহে
ঘুম গিয়েছে হারিয়ে,
কারেন্ট মামা আসতো যদি
প্রাণটা যেতো জুরিয়ে!

গরম

মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ

রোজ সকালে সূর্য মামা উঠে
আজ দেখি অনেক রাগ,
চক্ষু মেলে দেখতে কষ্ট হচ্ছে
বাহিরে রয়েছে বিষণ তাপ।

ঘরের মানুষ বাহিরে বের হয় না
আকাশের মনে বিষণ কষ্ট,
অতিরিক্ত গরমের কারণে হয়ে যাচ্ছে
নানা রকম ফসল নষ্ট।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে
ঘরে আজ ঝুলছে তালা,
মানুষের জীবনে শান্তি নাই আজ
সবার চোখে আকাশটা দিশেহারা।

গরমে আজ আমরা কষ্ট করছি
দোয়া চাই মালিকের কাছে,
আমাদের তৌফিক দেন মহান আল্লাহ
থাকতে পারি যেন আপনার পাশে।

সৃষ্টির জগৎটা আজ পরিবর্তন ঘটেছে
আসছে ফিরে কালো রাত্রি,
সারা বিশ্বে বিভিন্ন সমস্যার মুখে
জানি না কোন পথের যাত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *